Academy

'রেহানা মরিয়ম নূর' ছবিটি কান চলচ্চিত্র উৎসবে সমালোচকদের ভূয়সী প্রশংসা লাভ করে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে। ছবিটির পরিচালক আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ দেশে ফিরে এমন একজন ব্যক্তিত্বের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন, যিনি শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ ব্যক্তি এবং আলঙ্কারিক প্রধান। সরকারের সব শাসনসংক্রান্ত কাজ তার নামে পরিচালিত হয় এবং তিনি দেশের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে নানা পরামর্শ প্রদান করেন।

“দেশের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে পরামর্শ প্রদান করাই উক্ত ব্যক্তির একমাত্র কাজ”- তুমি কি এ উক্তির সাথে একমত? মতামত দাও। (উচ্চতর দক্ষতা)

Created: 1 year ago | Updated: 5 months ago
Updated: 5 months ago
Ans :

দেশের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে পরামর্শ প্রদান করাই উক্ত ব্যক্তি তথা রাষ্ট্রপতির একমাত্র কাজ- আমি এ বক্তব্যের সাথে একমত নই।
রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান। সরকারের সকল শাসনসংক্রান্ত কাজ তার নামে পরিচালিত হয়। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ দেন। এছাড়া মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের তিনিই নিয়োগদান করেন। রাষ্ট্রপতি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কাজ করেন। রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত কিংবা প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে ভেঙে দিতে পারেন। তাছাড়া রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল সম্মানের উৎস। তার অনুমতি ছাড়া দেশের কোনো নাগরিক অন্য দেশের দেওয়া সম্মাননা বা পদবি গ্রহণ করতে পারেন না।
রাষ্ট্রপতি জাতীয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী ও বিচারপতিদের শপথ বাক্য পাঠ করান। তার সম্মতি ছাড়া কোনো অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা যায় না। অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে সংসদ কোনো ক্ষেত্রে অর্থ মঞ্জুর করতে অসমর্থ হলে রাষ্ট্রপতি ৬০ দিনের জন্য সংশ্লিষ্ট তহবিল হতে অর্থ মঞ্জুর করতে পারেন। রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ এবং তার সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিযুক্ত করেন। তিনি আদালত বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাজা হ্রাস বা মওকুফ করতে পারেন।
উপরের আলোচনায় স্পষ্ট যে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে পরামর্শ প্রদান করা ছাড়াও রাষ্ট্রপতি আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন।

1 year ago

পৌরনীতি ও নাগরিকতা

🏛️ পৌরনীতি ও নাগরিকতা – নবম-দশম শ্রেণি | এসএসসি | NCTB অনুমোদিত ২০২৫

আপনি কি খুঁজছেন “পৌরনীতি ও নাগরিকতা নবম-দশম শ্রেণি PDF”, অথবা বোর্ড ভিত্তিক প্রশ্ন–উত্তর ও ব্যাখ্যা?

তাহলে স্বাগতম SATT Academy–তে — যেখানে শেখা হয় সহজে, সঠিকভাবে এবং সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

এখানে আপনি পাবেন:

  • NCTB অনুমোদিত বইয়ের ভিত্তিতে সাজানো অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন–উত্তর
  • সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা ও উদাহরণ
  • লাইভ টেস্ট, ভিডিও লেকচার ও ব্যাখ্যাসহ কনটেন্ট
  • বইয়ের PDF ও ছবি ডাউনলোড সুবিধা

✅ এই পেইজে যা পাবেন:

  • অধ্যায়ভিত্তিক সৃজনশীল (CQ) ও বহুনির্বাচনী (MCQ) প্রশ্ন–উত্তর
  • সহজ ভাষায় অধ্যায় ব্যাখ্যা — যেমন “গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য”, “আইনের শাসন”
  • ভিডিও ক্লাস ও কুইজ
  • ছবি ও চিত্রসহ ব্যাখ্যা
  • PDF/ছবি ডাউনলোড সুবিধা
  • কমিউনিটি যাচাইকৃত কনটেন্ট — আরও নির্ভুল ও পরীক্ষাভিত্তিক

📥 সরকারি (NCTB) PDF ডাউনলোড লিংক:

🔗 পৌরনীতি ও নাগরিকতা – নবম-দশম শ্রেণি PDF ডাউনলোড
(সরকারি বই অনলাইনে পড়া ও ডাউনলোড করার জন্য এই লিংক ব্যবহার করুন)


👨‍👩‍👧‍👦 কাদের জন্য উপযোগী?

  • শিক্ষার্থীদের জন্য: বোর্ড পরীক্ষার জন্য অধ্যায়ভিত্তিক অনুশীলন
  • শিক্ষকদের জন্য: শ্রেণি-নির্ভর প্রস্তুত ক্লাস কনটেন্ট
  • অভিভাবকদের জন্য: সন্তানের শেখায় সহায়তা
  • প্রাইভেট টিউটরদের জন্য: প্রশ্ন সেট, ব্যাখ্যা ও রিভিশনের জন্য

⚙️ কীভাবে ব্যবহার করবেন:

  • অধ্যায় তালিকা থেকে যেকোনো অধ্যায় বেছে নিন
  • প্রশ্ন–উত্তর ও ব্যাখ্যা পড়ুন
  • লাইভ টেস্টে অংশ নিন – নিজেকে যাচাই করতে
  • PDF বা ছবি ডাউনলোড করুন – অফলাইনে পড়ার জন্য
  • নিজের মতামত বা ব্যাখ্যা যোগ করুন — শেখান ও শিখুন

✨ কেন পড়বেন SATT Academy থেকে?

✔️ ১০০% ফ্রি ও বিজ্ঞাপনমুক্ত শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম
✔️ NCTB বই অনুসারে সাজানো নির্ভুল কনটেন্ট
✔️ ভিডিও, কুইজ, ব্যাখ্যাসহ ইন্টার‍্যাক্টিভ ফিচার
✔️ মোবাইল ও ডেস্কটপ–ফ্রেন্ডলি ডিজাইন
✔️ কমিউনিটি যাচাইকৃত ও নিয়মিত আপডেটকৃত তথ্য


🔍 সার্চ–সহায়ক কীওয়ার্ড:

  • পৌরনীতি ও নাগরিকতা নবম-দশম শ্রেণি
  • Class 9-10 Civics and Citizenship PDF
  • SSC Civics Bangla Book
  • SATT Academy Civics Question Answer
  • NCTB পৌরনীতি প্রশ্ন PDF
  • Civics SSC MCQ Solution
  • পৌরনীতি ব্যাখ্যা ও উদাহরণ

🚀 আজই শুরু করুন!

SATT Academy–তে অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন–উত্তর, ব্যাখ্যা, ভিডিও ও PDF সহ পৌরনীতি ও নাগরিকতা পড়ুন — বোর্ড পরীক্ষার জন্য নিখুঁত প্রস্তুতির সঙ্গে।

📘 SATT Academy – প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য মুক্ত, আধুনিক ও গাইডলাইনভিত্তিক শিক্ষা।

Content added By

Related Question

View More

মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
বিভাগের উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন ও তত্ত্বাবধান করে বিভাগীয় প্রশাসন। তবে বিভাগের সব কাজ সম্পন্ন করা হয় বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে। তিনি কেন্দ্রের প্রতিনিধি হিসেবে বিভাগের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।

'A' চিহ্নিত স্থানটি সরকারের আইন বিভাগকে নির্দেশ করছে।
সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম। বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় জাতীয় সংসদ যাবতীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। বাংলাদেশের আইন প্রণয়নের সব ক্ষমতা জাতীয় সংসদের। সংসদ যেকোনো আইন প্রণয়ন, প্রচলিত আইনের পরিবর্তন বা সংশোধন করতে পারে।
জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে। প্রধানমন্ত্রী ও 'মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংসদের কাছে দায়ী থাকে। কোনো কারণে সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা আনলে মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়। সংসদের অনুমতি ছাড়া কোনো কর বা খাজনা আরোপ ও আদায় করা যায় না। সংসদ প্রতি বছর জাতীয় বাজেট পাস করে। সংসদ সংবিধানে উল্লিখিত নিয়মের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করতে পারে। তবে এজন্য সংসদের মোট সদস্যের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের দরকার হয়। সুতরাং বলা যায়, আইন বিভাগের কর্মকাণ্ডের পরিধি ব্যাপক ও বিস্তৃত।

উদ্দীপকে উল্লেখিত 'B' চিহ্নিত বিভাগটি হলো নির্বাহী বিভাগ এবং 'A' চিহ্নিত বিভাগটি হলো আইন বিভাগ। বাংলাদেশে আইন বিভাগ নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে। এ বিষয়টির সাথে আমি একমত।
সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় আইনসভার স্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সরকারের যেসব কাজ করতে হয় সেগুলো হলো- আইনসংক্রান্ত কাজ, শাসনসংক্রান্ত কাজ এবং বিচারসংক্রান্ত কাজ। এই তিন প্রকার কাজ সম্পাদন করার জন্য আইন বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ এবং বিচার বিভাগের ওপর দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে। তবে আইন বিভাগের কাজের পরিধি ব্যাপক। এটি শুধু আইন প্রণয়নই করে না, নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণও করে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা সংসদের কাছে দায়ী থাকেন। কোনো কারণে সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা আনলে মন্ত্রিসভা ভেঙেযায়। মুলতুবি প্রস্তাব, নিন্দা প্রস্তাব, অনাস্থা প্রস্তাব, প্রশ্ন জিজ্ঞাসা, সংসদীয় বিভিন্ন কমিটি ও সংসদে সাধারণ আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
উপরের আলোচনায় সুস্পষ্ট, আইন বিভাগের সাথে নির্বাহী বিভাগের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। আইন বিভাগ তথা জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ করে।

যুদ্ধকালীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল।

রাষ্ট্রের শাসনকাজ পরিচালনা ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রশাসনকে রাষ্ট্রের হৃৎপিণ্ড বলা হয়।
রাষ্ট্রের শাসনকাজ পরিচালনার দায়িত্ব প্রশাসনের। রাষ্ট্রের ভিতরে শান্তি- শৃঙ্খলা রক্ষা ও রাষ্ট্রের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে সুষ্ঠু প্রশাসনের কোনো বিকল্প নেই। তাই প্রশাসন রাষ্ট্রের হৃৎপিণ্ড হিসেবে পরিচিত।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...